Showing posts with label শ্রমজীবীদের নিয়ে কবিতা. Show all posts
Showing posts with label শ্রমজীবীদের নিয়ে কবিতা. Show all posts

কর্ম - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


             ভৃত্যের না পাই দেখা প্রাতে।
দুয়ার রয়েছে খোলা,                স্নানজল নাই তোলা,
             মূর্খাধম আসে নাই রাতে।
মোর ধৌত বস্ত্রখানি              কোথা আছে নাহি জানি,
            কোথা আহারের আয়োজন!
বাজিয়া যেতেছে ঘড়ি            বসে আছি রাগ করি
             দেখা পেলে করিব শাসন।

পুরাতন ভৃত্য – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


ভূতের মতন চেহারা যেমন,    নির্বোধ অতি ঘোর।
যা - কিছু হারায়, গিন্নি বলেন,   কেষ্টা বেটাই চোর। '
উঠিতে বসিতে করি বাপান্ত,    শুনেও শোনে না কানে।
যত পায় বেত না পায় বেতন,    তবু না চেতন মানে
বড়ো প্রয়োজন, ডাকি প্রাণপণ, চীৎকার করিকেষ্টা ' —
যত করি তাড়া, নাহি পাই সাড়া,    খুঁজে ফিরি সারা দেশটা
তিনখানা দিলে একখানা রাখে,    বাকি কোথা নাহি জানে
একখানা দিলে নিমেষ ফেলিতে    তিনখানা ' রে আনে।
যেখানে সেখানে দিবসে দুপুরে    নিদ্রাটি আছে সাধা
মহাকলরবে গালি দেই যবে   পাজি হতভাগা গাধা ' —
দরজার পাশে দাঁড়িয়ে সে হাসে,     দেখে জ্বলে যায় পিত্ত!
তবু মায়া তার ত্যাগ করা ভারবড়ো পুরাতন ভৃত্য।

জোনাকি | বুদ্ধদেব বসু


 
এ কী
জোনাকি!
তুই কখন
এলি বল তো!
একলা
এই বাদলায়
কেন কলকা-
তায় এলি তুই?
[এই সারারাত জ্বলা চিরদ্বীপমালা
দেয়ালি-আলোয়!]
তোর সঙ্গী
সব পাড়াগাঁর
পথে সারা-রাত
ঘন অন্ধ
কারে জ্বলছে।
_